এশিয়া
ইয়েমেনে পৌঁছাতে প্রাণঝুঁকি নিয়ে সমুদ্র পাড়ি দিচ্ছেন অভিবাসীরা: মূল কারণ কী?
দীর্ঘদিনের তীব্র সামরিক সংঘাত ও গৃহযুদ্ধ সত্ত্বেও ইয়েমেনের দিকে ঝুঁকছেন হাজার হাজার অভিবাসী। কৌশলগত বাব আল-মান্দেব প্রণালীর ঝুঁকিপূর্ণ সামুদ্রিক পথ পাড়ি দিয়ে অভিবাসীদের এই বিপজ্জনক যাত্রার পেছনে মূল কারণ তাদের নিজ দেশে তীব্র অর্থনৈতিক সংকট এবং ইয়েমেন হয়ে ধনী উপসাগরীয় দেশগুলোতে কাজের সন্ধানে যাওয়া।
ইয়েমেনে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ও লোহিত সাগর জুড়ে অশান্তি বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও আফ্রিকা শিং অঞ্চল (Horn of Africa) থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার অভিবাসী জীবন বাজি রেখে সমুদ্রপথে দেশটিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন। ইউনিভার্সিটি কিংবা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাব আল-মান্দেব প্রণালীর অতি বিপজ্জনক সমুদ্রপথ পাড়ি দেওয়ার এই সিদ্ধান্তটি শুধু ইয়েমেনের সংঘাত থেকে বাঁচতে নয়, বরং মূলত অর্থনৈতিক দারিদ্র্য ও কর্মসংস্থানের চরম সংকট থেকে উত্তরণের একটি চেষ্টা। আল জাজিরার আল আনুদ আল আকিলির এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইথিওপিয়া ও সোমালিয়ার মতো দেশগুলো থেকে আসা এই অভিবাসীদের একটি বড় অংশ ইয়েমেনকে মূলত একটি ট্রানজিট বা ট্রানজিট করিডোর হিসেবে ব্যবহার করেন, যার মূল গন্তব্য থাকে সৌদি আরবসহ সমৃদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলো।
মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এই অভিবাসীদের অনেকেই নিজের দেশের তীব্র দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে বাঁচতে মানব পাচারকারীদের প্রলোভনে পা দেন। কিন্তু ইয়েমেনে পৌঁছে তাদের নতুন ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে হয়—যেখানে চলমান যুদ্ধ, ভূমিধস, মানব পাচারকারী চক্রের হাতে নির্যাতন এবং চরম অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা তাদের জীবনকে আরও দুর্বিষহ করে তোলে। তা সত্ত্বেও আফ্রিকার এই অভিবাসীরা উপসাগরীয় দেশগুলোতে কাজের সন্ধান ও একটু উন্নত জীবনের প্রত্যাশায় ইয়েমেন পৌঁছানোর জন্য এমন প্রাণঘাতী ঝুঁকি গ্রহণ করে যাচ্ছেন।
মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এই অভিবাসীদের অনেকেই নিজের দেশের তীব্র দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে বাঁচতে মানব পাচারকারীদের প্রলোভনে পা দেন। কিন্তু ইয়েমেনে পৌঁছে তাদের নতুন ধরনের ঝুঁকিতে পড়তে হয়—যেখানে চলমান যুদ্ধ, ভূমিধস, মানব পাচারকারী চক্রের হাতে নির্যাতন এবং চরম অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা তাদের জীবনকে আরও দুর্বিষহ করে তোলে। তা সত্ত্বেও আফ্রিকার এই অভিবাসীরা উপসাগরীয় দেশগুলোতে কাজের সন্ধান ও একটু উন্নত জীবনের প্রত্যাশায় ইয়েমেন পৌঁছানোর জন্য এমন প্রাণঘাতী ঝুঁকি গ্রহণ করে যাচ্ছেন।