আন্তর্জাতিক
আজাদ কাশ্মীরে দমন-পীড়ন ও সহিংসতার প্রতিবাদে ইসলামাবাদে ইসলামী জামিয়াত তালাবার বিক্ষোভ প্রদর্শন
পাকিস্তান শাসিত আজাদ কাশ্মীরে সাম্প্রতিক গণআন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক দমন-পীড়ন, কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ এবং সহিংসতায় হতাহতের ঘটনায় ফুঁসে উঠেছে দেশটির প্রশাসনিক রাজধানী ইসলামাবাদ।
আজাদ কাশ্মীরের সাধারণ জনগণের মৌলিক অধিকারের দাবিতে চলা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে প্রাণহানি ও নৃশংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইসলামাবাদে বিশাল প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করেছে পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর ছাত্রসংগঠন 'ইসলামী জামিয়াত তালাবা' (আইজিটি)। বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা আজাদ কাশ্মীরে অবিলম্বে সামরিক শক্তি প্রয়োগ বন্ধ, নির্বিচারে হামলা ও গ্রেপ্তারের বিচার এবং কাশ্মীরিদের যৌক্তিক অধিকার মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান।
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে জামিয়তে তালাবার হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। হাতে ব্যানার, ফেস্টুন এবং বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান সংবলিত প্লেকার্ড নিয়ে তারা মিছিলে যোগ দেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা "কাশ্মীরিদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না", "অবিলম্বে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন বন্ধ কর" এবং "আন্দোলনকারীদের ওপর হামলাকারীদের শাস্তি দাও" ইত্যাদি স্লোগানে পুরো এলাকা উত্তাল করে তোলেন। সমাবেশে ছাত্র নেতারা বলেন, আজাদ কাশ্মীরের জনগণ বছরের পর বছর ধরে নানা বৈষম্য ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করছেন। তাদের ন্যায্য দাবি শুনে সমাধানের পথ খোঁজার পরিবর্তে রাষ্ট্রযন্ত্র শক্তি প্রয়োগ ও রক্তপাতের পথ বেছে নিয়েছে, যা কোনোভাবেই একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়।
আজাদ কাশ্মীরে সাম্প্রতিক অস্থিরতার পেছনে রয়েছে মূলত জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ ও খাদ্যের চড়া মূল্য এবং রাজনৈতিক অধিকারের দাবিতে গড়ে ওঠা সর্বদলীয় যৌথ আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) ব্যানারে গণআন্দোলন। দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক ক্ষোভ ও স্থানীয় বিদ্যুৎ উৎপাদন সত্ত্বেও চড়া মূল্যে তা কিনতে বাধ্য হওয়ার প্রতিবাদে কাশ্মীরের মুজাফফরাবাদ, মিরপুর ও রাওয়ালাকোটসহ বিভিন্ন স্থানে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। সেই নাগরিক আন্দোলন দমন করতে নিরাপত্তা বাহিনী অতিরিক্ত টিয়ারশেল, রবার বুলেট এবং প্রত্যক্ষ গুলি ছুড়লে একাধিক বেসামরিক নাগরিক নিহত ও বহু মানুষ মারাত্মকভাবে আহত হন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সমগ্র অঞ্চলে থমথমে অবস্থা তৈরি হয় এবং প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও জনগণ তাদের প্রতিরোধ জোরদার করে। এই সহিংসতায় সাধারণ কাশ্মীরিদের জীবনহানির ঘটনা দেশের তরুণ সমাজ এবং ছাত্রসমাজকে গভীরভাবে ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ করেছে।
ইসলামাবাদে বিক্ষোভ চলাকালে ইসলামী জামিয়াত তালাবার কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, কাশ্মীরি জনগণের অবদান ও ত্যাগকে পাকিস্তান রাষ্ট্র কখনোই উপেক্ষা করতে পারে না। যে আজাদ কাশ্মীর পাকিস্তানের নিরাপত্তার অন্যতম স্তম্ভ, সেখানকার নিরস্ত্র নাগরিকদের নিজস্ব সরকারের বাহিনী দিয়ে হত্যা করা অত্যন্ত লজ্জাজনক। ছাত্র নেতারা অভিযোগ করেন, কাশ্মীরিদের ক্ষোভ কেবল কিছু ভর্তুকি না পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি বছরের পর বছর জমা হওয়া কাঠামোগত অবহেলা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবেরই বহিঃপ্রকাশ। কাশ্মীরি জনগণের মৌলিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা খর্ব করে জোরপূর্বক পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার অপচেষ্টা উল্টো গৃহদাহ ও বিচ্ছিন্নতাবোধ বৃদ্ধি করবে।
বিক্ষোভকারীরা তাদের বক্তব্য থেকে তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করেন। প্রথমত, আজাদ কাশ্মীরে প্রতিবাদকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশদাতা ও জড়িত পুলিশ অফিসারদের বিরুদ্ধে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন করে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আটককৃত সমস্ত ছাত্র, রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ জনগণকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে এবং নিহত পরিবারগুলোকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে। তৃতীয়ত, ভূখণ্ডটির অর্থনৈতিক সংকট নিরসনে গমের ওপর ভতুর্কি পুনর্বহাল এবং স্থানীয় বিদ্যুতের সঠিক মূল্য নির্ধারণের যেসব লিখিত ওয়াদা কর্তৃপক্ষ করেছিল, তা অনতিবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে। তারা হুঁশিয়ারি দেন, সরকার যদি অবিলম্বে আন্দোলনকারীদের সাথে ফলপ্রসূ সংলাপের মাধ্যমে সুরাহা না করে, তবে জামিয়তে তালাবা সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেবে।
কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান সরকার এবং সামরিক বাহিনীর নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য এটি একটি বড় ধরণের সংকট তৈরি করেছে। যেখানে পাকিস্তানের প্রধান কূটনৈতিক অবস্থানের অন্যতম ভিত্তি হলো আন্তর্জাতিক মঞ্চে কাশ্মীর ইস্যুতে সংহতি জানানো, সেখানে পাকিস্তান শাসিত আজাদ কাশ্মীরের ভেতরেই যদি এ ধরনের রক্তক্ষয়ী গণবিক্ষোভ ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন সংঘটিত হয়, তবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকারের অবস্থান বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ ও প্রশ্নের মুখে পড়ে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশীয় ভূ-রাজনীতিতে এই সংকট ইসলামাবাদকে নীতিগতভাবে কোনঠাসা করে তুলতে পারে।
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করেন যা রাজধানীর প্রধান সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে। মিছিলজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সুদৃঢ় উপস্থিতি থাকলেও কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে রাজধানীতে তরুণ ও শিক্ষার্থীদের এমন তীব্র প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করে যে, কাশ্মীরের সংকট কেবল পাহাড়ি ওই অঞ্চলের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং তা এখন পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডের রাজনীতি এবং রাজধানী ইসলামাবাদের রাজপথকেও ব্যাপকভাবে উত্তপ্ত করে তুলেছে।
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে জামিয়তে তালাবার হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। হাতে ব্যানার, ফেস্টুন এবং বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান সংবলিত প্লেকার্ড নিয়ে তারা মিছিলে যোগ দেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা "কাশ্মীরিদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না", "অবিলম্বে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন বন্ধ কর" এবং "আন্দোলনকারীদের ওপর হামলাকারীদের শাস্তি দাও" ইত্যাদি স্লোগানে পুরো এলাকা উত্তাল করে তোলেন। সমাবেশে ছাত্র নেতারা বলেন, আজাদ কাশ্মীরের জনগণ বছরের পর বছর ধরে নানা বৈষম্য ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করছেন। তাদের ন্যায্য দাবি শুনে সমাধানের পথ খোঁজার পরিবর্তে রাষ্ট্রযন্ত্র শক্তি প্রয়োগ ও রক্তপাতের পথ বেছে নিয়েছে, যা কোনোভাবেই একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়।
আজাদ কাশ্মীরে সাম্প্রতিক অস্থিরতার পেছনে রয়েছে মূলত জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ ও খাদ্যের চড়া মূল্য এবং রাজনৈতিক অধিকারের দাবিতে গড়ে ওঠা সর্বদলীয় যৌথ আওয়ামী অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) ব্যানারে গণআন্দোলন। দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক ক্ষোভ ও স্থানীয় বিদ্যুৎ উৎপাদন সত্ত্বেও চড়া মূল্যে তা কিনতে বাধ্য হওয়ার প্রতিবাদে কাশ্মীরের মুজাফফরাবাদ, মিরপুর ও রাওয়ালাকোটসহ বিভিন্ন স্থানে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। সেই নাগরিক আন্দোলন দমন করতে নিরাপত্তা বাহিনী অতিরিক্ত টিয়ারশেল, রবার বুলেট এবং প্রত্যক্ষ গুলি ছুড়লে একাধিক বেসামরিক নাগরিক নিহত ও বহু মানুষ মারাত্মকভাবে আহত হন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সমগ্র অঞ্চলে থমথমে অবস্থা তৈরি হয় এবং প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও জনগণ তাদের প্রতিরোধ জোরদার করে। এই সহিংসতায় সাধারণ কাশ্মীরিদের জীবনহানির ঘটনা দেশের তরুণ সমাজ এবং ছাত্রসমাজকে গভীরভাবে ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ করেছে।
ইসলামাবাদে বিক্ষোভ চলাকালে ইসলামী জামিয়াত তালাবার কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, কাশ্মীরি জনগণের অবদান ও ত্যাগকে পাকিস্তান রাষ্ট্র কখনোই উপেক্ষা করতে পারে না। যে আজাদ কাশ্মীর পাকিস্তানের নিরাপত্তার অন্যতম স্তম্ভ, সেখানকার নিরস্ত্র নাগরিকদের নিজস্ব সরকারের বাহিনী দিয়ে হত্যা করা অত্যন্ত লজ্জাজনক। ছাত্র নেতারা অভিযোগ করেন, কাশ্মীরিদের ক্ষোভ কেবল কিছু ভর্তুকি না পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি বছরের পর বছর জমা হওয়া কাঠামোগত অবহেলা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবেরই বহিঃপ্রকাশ। কাশ্মীরি জনগণের মৌলিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা খর্ব করে জোরপূর্বক পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার অপচেষ্টা উল্টো গৃহদাহ ও বিচ্ছিন্নতাবোধ বৃদ্ধি করবে।
বিক্ষোভকারীরা তাদের বক্তব্য থেকে তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করেন। প্রথমত, আজাদ কাশ্মীরে প্রতিবাদকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশদাতা ও জড়িত পুলিশ অফিসারদের বিরুদ্ধে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন করে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আটককৃত সমস্ত ছাত্র, রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ জনগণকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে এবং নিহত পরিবারগুলোকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে। তৃতীয়ত, ভূখণ্ডটির অর্থনৈতিক সংকট নিরসনে গমের ওপর ভতুর্কি পুনর্বহাল এবং স্থানীয় বিদ্যুতের সঠিক মূল্য নির্ধারণের যেসব লিখিত ওয়াদা কর্তৃপক্ষ করেছিল, তা অনতিবিলম্বে বাস্তবায়ন করতে হবে। তারা হুঁশিয়ারি দেন, সরকার যদি অবিলম্বে আন্দোলনকারীদের সাথে ফলপ্রসূ সংলাপের মাধ্যমে সুরাহা না করে, তবে জামিয়তে তালাবা সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেবে।
কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান সরকার এবং সামরিক বাহিনীর নিরাপত্তা কাঠামোর জন্য এটি একটি বড় ধরণের সংকট তৈরি করেছে। যেখানে পাকিস্তানের প্রধান কূটনৈতিক অবস্থানের অন্যতম ভিত্তি হলো আন্তর্জাতিক মঞ্চে কাশ্মীর ইস্যুতে সংহতি জানানো, সেখানে পাকিস্তান শাসিত আজাদ কাশ্মীরের ভেতরেই যদি এ ধরনের রক্তক্ষয়ী গণবিক্ষোভ ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন সংঘটিত হয়, তবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকারের অবস্থান বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ ও প্রশ্নের মুখে পড়ে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশীয় ভূ-রাজনীতিতে এই সংকট ইসলামাবাদকে নীতিগতভাবে কোনঠাসা করে তুলতে পারে।
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করেন যা রাজধানীর প্রধান সড়কসমূহ প্রদক্ষিণ করে। মিছিলজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সুদৃঢ় উপস্থিতি থাকলেও কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে রাজধানীতে তরুণ ও শিক্ষার্থীদের এমন তীব্র প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করে যে, কাশ্মীরের সংকট কেবল পাহাড়ি ওই অঞ্চলের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নেই; বরং তা এখন পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডের রাজনীতি এবং রাজধানী ইসলামাবাদের রাজপথকেও ব্যাপকভাবে উত্তপ্ত করে তুলেছে।