আন্তর্জাতিক
নেপালের মসজিদে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হামলা
নেপালের ধনুশা জেলার বৈরিয়া এলাকার একটি মসজিদে উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী কর্তৃক মাইক বা লাউডস্পিকার ভেঙে দিয়ে সেখানে গেরুয়া পতাকা উত্তোলনের মতো একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ধর্মীয় অবমাননাকর ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একদল চরমপন্থী যুবক বেআইনিভাবে মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে এবং মিনারে থাকা মাইকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তা উপড়ে ফেলে। পরবর্তীতে তারা মাইক স্থাপনের স্থানে একটি ধর্মীয় গেরুয়া পতাকা টানিয়ে দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীর অসন্তোষ ও চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। যেকোনো ধরনের সম্ভাব্য সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এড়াতে ধনুশা জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ বাহিনী ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে। পুলিশ প্রশাসন থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে ঘটনার সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে এবং স্থানীয় জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সংঘটিত এক ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক সহিংসতার স্মৃতিকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। সে সময় উত্তর-পূর্ব দিল্লির অশোক নগর এলাকায় অবস্থিত একটি স্থানীয় মসজিদে একদল উগ্র হিন্দুত্ববাদী যুবক একইভাবে চড়াও হয়েছিল। তারা প্রকাশ্য দিবালোকে মসজিদের মিনারে উঠে সাউন্ড সিস্টেম বা লাউডস্পিকারটি নির্মমভাবে পিটিয়ে ও ভেঙে নিচে ফেলে দেয় এবং মিনারের চূড়ায় গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করে। শুধু তা-ই নয়, মসজিদের দেওয়ালে ধর্মীয় উসকানিমূলক স্লোগান লিখে ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হানা হয়েছিল। সেই সময়ে ঘটা সেই ভিডিও ও ছবি বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছিল এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো সংখ্যালঘু ধর্মীয় উপাসনালয়ে এই ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছিল।
ধনুশার বৈরিয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, উপমহাদেশে দক্ষিণপন্থী উগ্রবাদ এবং সংখ্যালঘুদের উপাসনালয়ের ওপর হামলার এই প্রবণতা ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও চরমপন্থী প্রচারণা আঞ্চলিকভাবে এক দেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উন্মাদনাকে অন্য দেশে ছড়িয়ে দিতে ইন্ধন জোগাচ্ছে। নেপালের মতো একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও সম্প্রীতির দেশে এ জাতীয় অপচেষ্টা সামাজিক সৌহার্দ্য ও নিরাপত্তার জন্য এক বিশাল হুমকি স্বরূপ। সময়মতো ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া হলে এসব ছোট ছোট উসকানিমূলক ঘটনা বড় আকারের আঞ্চলিক সাম্প্রদায়িক অস্থিরতায় রূপ নিতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সংঘটিত এক ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক সহিংসতার স্মৃতিকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। সে সময় উত্তর-পূর্ব দিল্লির অশোক নগর এলাকায় অবস্থিত একটি স্থানীয় মসজিদে একদল উগ্র হিন্দুত্ববাদী যুবক একইভাবে চড়াও হয়েছিল। তারা প্রকাশ্য দিবালোকে মসজিদের মিনারে উঠে সাউন্ড সিস্টেম বা লাউডস্পিকারটি নির্মমভাবে পিটিয়ে ও ভেঙে নিচে ফেলে দেয় এবং মিনারের চূড়ায় গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করে। শুধু তা-ই নয়, মসজিদের দেওয়ালে ধর্মীয় উসকানিমূলক স্লোগান লিখে ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত হানা হয়েছিল। সেই সময়ে ঘটা সেই ভিডিও ও ছবি বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছিল এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো সংখ্যালঘু ধর্মীয় উপাসনালয়ে এই ধরনের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছিল।
ধনুশার বৈরিয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, উপমহাদেশে দক্ষিণপন্থী উগ্রবাদ এবং সংখ্যালঘুদের উপাসনালয়ের ওপর হামলার এই প্রবণতা ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও চরমপন্থী প্রচারণা আঞ্চলিকভাবে এক দেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় উন্মাদনাকে অন্য দেশে ছড়িয়ে দিতে ইন্ধন জোগাচ্ছে। নেপালের মতো একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও সম্প্রীতির দেশে এ জাতীয় অপচেষ্টা সামাজিক সৌহার্দ্য ও নিরাপত্তার জন্য এক বিশাল হুমকি স্বরূপ। সময়মতো ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া হলে এসব ছোট ছোট উসকানিমূলক ঘটনা বড় আকারের আঞ্চলিক সাম্প্রদায়িক অস্থিরতায় রূপ নিতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।