ভূ রাজনীতি ও কূটনীতি
হায়ফায় কাদিয়ানি সম্মেলনে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট ও ভারতীয় রাষ্ট্রদূত
ইসরায়েলের হায়ফায় অনুষ্ঠিত আহমদীয়া বা কাদিয়ানি সম্প্রদায়ের ২৯তম বার্ষিক সম্মেলনকে কেন্দ্র করে মুসলিম বিশ্বে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। এই সম্মেলনে ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজাক হারজোগ এবং ইসরায়েলে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত জে পি সিং সরাসরি উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন। বিশ্বজুড়ে মুসলিম নিধনে অভিযুক্ত এই দুই দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিরা কাদিয়ানি সম্প্রদায়কে ‘মুসলিম মডেল’ হিসেবে আখ্যায়িত করায় বিভিন্ন ইসলামি বিশ্লেষক ও আলেম সমাজ এর কঠোর সমালোচনা করেছেন।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর হায়ফায় ‘জলসা সালানা’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে মদিনা সনদের রেফারেন্স টেনে যৌথ নাগরিকত্ব, সামাজিক দায়বদ্ধতা, পারস্পরিক সম্পর্ক এবং শান্তি রক্ষায় ধর্মের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। সম্মেলনে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজাক হারজোগ আহমদীয়াদের ‘সহাবস্থান ও সহনশীলতার প্রতীক’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং মুসলিম-ইহুদি সংলাপে তাদের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই মঞ্চে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত জে পি সিং কাদিয়ানিদের সাথে ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। তিনি সম্প্রদায়টির মূল বাণী—‘সবাইকে ভালোবাসো, কাউকেও ঘৃণা করো না’—কে সকলের জন্য অনুসরণের উপযুক্ত বলে মন্তব্য করেন।
এই আয়োজনে হায়ফার মেয়র ইয়োনা ইয়াহাভ, নেসেটের (ইসরায়েলি পার্লামেন্ট) সদস্য, ইহুদি ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ এবং একাধিক দেশের কূটনৈতিকরা অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনের পরদিন ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ লেখেন, “বিশ্বের আরও মানুষ যদি এই জমায়েত দেখতে পেত এবং ইসরায়েলি সমাজের এই সুন্দর রূপটি জানতে পারত!” তিনি সম্প্রদায়টির নেতা আমির মুহাম্মদ শরীফ ওদাহকে উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ জানান।
অন্যদিকে, এই সম্মেলনের পর থেকেই আলেম সমাজ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তাদের মতে, ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্বের প্রধান প্রধান ইসলামি সংস্থাগুলো কাদিয়ানিদের তাদের আকীদাগত ভিন্নতার কারণে অমুসলিম ঘোষণা করেছে। আলেমদের দাবি, মদিনা সনদের দোহাই দিয়ে নিজেদের আসল পরিচয় আড়াল করার চেষ্টা চালালেও কাদিয়ানিদের এই বিতর্কিত অবস্থান বরাবরই উম্মোচিত হয়েছে। তারা মনে করছেন, ইসরায়েল ও ভারতের পৃষ্ঠপোষকতা প্রমাণ করে যে, এই সম্প্রদায়টি মূলত তাদেরই প্রক্সি হিসেবে কাজ করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বজুড়ে যেখানে ইসরায়েল ও ভারতের মুসলিমবিরোধী নীতি ও নিপীড়ন নিয়ে সাধারণ মুসলিমদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিদ্যমান, সেখানে এই দুই দেশের প্রতিনিধিরা কাদিয়ানিদের ‘আদর্শ মুসলিম প্রতিনিধি’ হিসেবে উপস্থাপন করে জনমতকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের মতে, বিশ্বমঞ্চে প্রকৃত মুসলিমদের কণ্ঠস্বরকে আড়াল করতেই হিন্দুত্ববাদী ও জায়নবাদী শক্তিগুলো এই গোষ্ঠীকে ব্যবহার করছে।
এই আয়োজনে হায়ফার মেয়র ইয়োনা ইয়াহাভ, নেসেটের (ইসরায়েলি পার্লামেন্ট) সদস্য, ইহুদি ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ এবং একাধিক দেশের কূটনৈতিকরা অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনের পরদিন ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ লেখেন, “বিশ্বের আরও মানুষ যদি এই জমায়েত দেখতে পেত এবং ইসরায়েলি সমাজের এই সুন্দর রূপটি জানতে পারত!” তিনি সম্প্রদায়টির নেতা আমির মুহাম্মদ শরীফ ওদাহকে উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য ধন্যবাদ জানান।
অন্যদিকে, এই সম্মেলনের পর থেকেই আলেম সমাজ তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তাদের মতে, ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্বের প্রধান প্রধান ইসলামি সংস্থাগুলো কাদিয়ানিদের তাদের আকীদাগত ভিন্নতার কারণে অমুসলিম ঘোষণা করেছে। আলেমদের দাবি, মদিনা সনদের দোহাই দিয়ে নিজেদের আসল পরিচয় আড়াল করার চেষ্টা চালালেও কাদিয়ানিদের এই বিতর্কিত অবস্থান বরাবরই উম্মোচিত হয়েছে। তারা মনে করছেন, ইসরায়েল ও ভারতের পৃষ্ঠপোষকতা প্রমাণ করে যে, এই সম্প্রদায়টি মূলত তাদেরই প্রক্সি হিসেবে কাজ করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বজুড়ে যেখানে ইসরায়েল ও ভারতের মুসলিমবিরোধী নীতি ও নিপীড়ন নিয়ে সাধারণ মুসলিমদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিদ্যমান, সেখানে এই দুই দেশের প্রতিনিধিরা কাদিয়ানিদের ‘আদর্শ মুসলিম প্রতিনিধি’ হিসেবে উপস্থাপন করে জনমতকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের মতে, বিশ্বমঞ্চে প্রকৃত মুসলিমদের কণ্ঠস্বরকে আড়াল করতেই হিন্দুত্ববাদী ও জায়নবাদী শক্তিগুলো এই গোষ্ঠীকে ব্যবহার করছে।